Welcome To Provide School

বিজ্ঞানমূখী শিক্ষাই আমাদের মূল লক্ষ্য ।

কেন এই উদ্যোগ !!!

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।

একবিংশ শতাব্দী আমাদের সামনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এক কঠিন প্রতিযোগিতা ও চ্যালেঞ্জের যুগ। নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার জন্য চাই যথোপযুক্ত মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমাদের দেশে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বে ও মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অপ্রতুল। ফলে স্ট্যান্ডার্ড শিক্ষা থেকে জাতি বঞ্চিত। বাংলাদেশে শিক্ষা আজ পণ্যে পরিণত হয়েছে। এ থেকে উত্তরণের লক্ষে কামরাঙ্গীর চরে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে World Standard ‘ প্রভাইড স্কুল’ যা যেকোন নামীদামী প্রতিষ্ঠানের অভাব মেটাবে। এর পরিচালনায় রয়েছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যবস্থাপনা কমিটি।

ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি এলাকায় অসংখ্য স্কুল গড়ে উঠেছে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে ভালো স্কুলের সংখ্যা খুবই কম। সেক্ষেত্রে আমাদের  প্রতিষ্ঠানটি এ অভাব পূরণে একটি ব্যতিক্রমী প্রচেষ্ঠা। ভবিষ্যত প্রজন্মকে তাদের সুপ্ত প্রতিভার যথাযথ বিকাশ ঘটিয়ে শারীরিক, মানসিক, চারিত্রিক, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্ধুদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। 

মেধাবী শিক্ষকগণের উচ্ছল উদ্দীপনায় সুশিক্ষার এক অপূর্ব পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যাতে করে তাদের প্রতিভা বিকাশের উপযুক্ত ক্ষেত্র খুঁজে পায়। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে ধর্মীয় শিক্ষার অনুশাসন, মানবিক মূল্যবোধ ও কম্পিউটার শিক্ষা কর্মসূচীর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিজ্ঞান মনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের মধ্য দিয়ে প্রকৃত শিক্ষা লাভের পথ নির্দেশ করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। 

বাংলা ভাষার যথাযথ অনুশীলনের পাশাপাশি ইংরেজি ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদা দিয়ে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে ভাষাগত দূর্বলতা নির্মূল করার দ্বার উন্মুক্ত করবে আশা করি। সাথে সাথে চিত্রাঙ্কন, সাহিত্য চর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মসূচী, খেলাধুলা, শিক্ষা সফর তাদের মেধা বিকাশে ইতিবাচক সুফল বয়ে আনবে।

আমরা আপনার সন্তানদের আদর্শ নাগরিক ও উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে  প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

ধন্যবাদান্তে

প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক

 

পারভেজ আল আমিন

বি.এ( অর্নাস) এম. এ.(ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

Why Choose Provide School ?

  • জাতীয় শিক্ষাক্রম, মানবণ্টন,প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নে অভিজ্ঞ, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও পারদর্শী শিক্ষকবৃন্দ কর্তৃক পাঠদান।
  • যুগোপযোগী শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারের Digital Content এ শ্রেণিপাঠ উপস্থাপন।
  • বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের যে সকল বিষয়ে অধিক নম্বর পাওয়া যায় সেগুলোর অন্তর্ভুক্তি।
  • Student Counselling & Guiding এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর অগ্রগামিতা পর্যবেক্ষণ।
  • প্রতি ১২ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন করে  গাইড শিক্ষক।
  • ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর GPA বৃদ্ধির হার প্রায় ৯০%
  • সারা বছরব্যাপী সহশিক্ষা কার্যক্রম দ্বারা শিক্ষার্থীর মননের বিকাশ সাধন।